Story

পথ চলা শেষ তবে জনপ্রিয় গায়ক জুটি স্বপন-জগমোহনরা ! রেখে গেছেন কালজয়ী সেরা গান…

গত ১৬ অক্টোবর প্রয়াত হয়েছেন বর্ষীয়ান সংগীত পরিচালক স্বপন সেনগুপ্ত। ৯০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে তারা দের দেশে পারি দেন । তাঁর মৃত্যুর পরেই অবশেষে পথ চলা শেষ হল স্বপন-জগমোহন জুটির। ১৯৯৯ সালে প্রয়াত হয়েছেন এই জুটির এক সংগীত পরিচালক জগমোহন বক্সী।

দশকের পর দশক ধরে বলিউডে চুটিয়ে কাজ করে গিয়েছেন যে সব বাঙালি শিল্পী, তাঁদের মধ্যে একেবারে প্রথমেই থাকবেন স্বপন সেনগুপ্ত এবং জগমোহন বক্সী। ১৯৭০ সালে বলিউডে চুটিয়ে কাজ করেছেন স্বপন সেনগুপ্ত। সলিল চৌধুরীর বম্বে ইউথ কয়্যারে কোরাসে গান গাইতেন তিনি।

সেখানেই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় জগমোহন বক্সীর সঙ্গে। তাঁরা একসঙ্গে এসডি বর্মনের সহযোগী হিসাবেও কাজ করেন দীর্ঘ দিন। পাঁচের দশকে কেরিয়ার শুরু করেন তাঁরা। আর ডি বর্মনের সঙ্গে প্রায় একই সময়ে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন কিন্তু আরডির মতো সাফল্য কখনই পাননি এই জুটি। শুধু বাংলা নয় , হিন্দি, পাঞ্জাবি, ভোজপুরী চারটি ভাষায় গান তৈরি করেছেন এই জুটি। লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোঁসলে, কিশোর কুমারের মতো শিল্পীর সঙ্গে একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে কাজ করেছেন স্বপন-জগমোহন।

স্বপন সেনগুপ্তর পরিবার এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কয়েক মাস আগেই ৯০ বছর পূর্ণ করেন তিনি। জন্মদিনের সেলিব্রশনে সেদিন বাড়িতে অনেক অতিথি এসেছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন বলিউডেরও। কেক কাটা হয়। কিন্তু এরপর থেকেই শরীর খারাপ হয়ে যায় তাঁর। অবশেষে সোমবার মুম্বইয়ে তাঁর বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বর্ষীয়ান সুরকার।

চলুন দেখে নিন তাঁদের তৈরি সেরা পাঁচ গানের তালিকা…

১) ফির ওহ ভুলি সি ইয়াদ আই হে (বেগানা ১৯৬৩)। বেগানা ছবিতে ডেবিউ করেন স্বপন জগমোহন জুটি। এই গানটি গেয়েছিলেন মহম্মদ রফি। গানটি লিখেছেন শৈলেন্দ্র।

২) খো দিয়ে হে সনম তেরি তলাশ মে ( তেরি তলাশ মে ১৯৬৮), গানটি গেয়েছিলেন আশা ভোঁসলে।

৩) মে তো হর মোর পর তুঝকো দুঙ্গা সারা (চেতনা ১৯৭০), এই গানটি তাঁদের কম্পোজ করা সবচেয়ে জনপ্রিয় গান। গানটি গেয়েছেন মুকেশ।

৪)উলফত মে জমানে কি (কল গার্ল ১৯৭৪), নাকেশ লুল্লাপুরির লেখা গানটি গেয়েছিলেন কিশোর কুমার।

৫)নাথানিয়া না হে রাম বড়া দুখ দিনা (সাজ্জো রানি ১৯৭৬), থুমরি কুইন শোভা গুরতু গেয়েছিলেন এই গান।

Related Articles

Back to top button